Header Ads

Header ADS

শিক্ষণীয় গল্প

 শিক্ষণীয় গল্প

সান্ড্রা নামের ক্যালিফোর্নিয়ার এক মেয়ে তার প্রয়াত অধ্যাপক পিতা আলহান্দ্রো নাভারোকে নিয়ে মর্মস্পর্শী স্ট্যাটাসটা লিখেছেন। যেটা ইতোমধ্যে বিভিন্ন পেজে শেয়ার হয়েছে।

মারা যাওয়ার একদিন আগেও  পিতা বিচলিত। তিনি তাঁর ছাত্রদের গ্রেড, প্রগ্রেস রিপোর্ট ইত্যাদি সব কিছু ঠিকমতো শেষ করে যেতে পারবেনতো।  তিনি জানেন- তাঁর শরীর দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ঘরের সামনে এ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। তিনি সবার আগে তাঁর ল্যাপটপ আর চার্জারটা নিলেন। যাতে মুমুর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের বেডে শুয়ে তিনি তার দায়িত্ব শেষ করে যেতে পারেন।

reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com reviewvaly.com src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjkpWzQ75IbOUE7nmABueGtx_eWS3MbCn4UZTzj8PPfw-8xn3-fTdT_QD_Vz0qAn_X43Gt1MYiEwhks12dtGLzmQmFjr6xlqqXZSUTq8PEjDMee_IBe74BVqiiJE2Nvk4WOYEWxbc0qTqIP/w327-h225/image.png" width="327" />


হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অধ্যাপক  শুয়ে  আছেন।   ডাক্তার আসছে। নানা রকমেরে চেকআপ করছে। ডাক্তার বলছেন- যে কোনো সময়  হার্টের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যদি বন্ধ হয়েই যায় তবে উনি কি  লাইফ সাপোর্টে যেতে চান। নাকি একটা শান্তিময় মৃত্যু  চান।

বাবা- গ্রেড দেয়ার মাঝে মাঝে ডাক্তার- নার্সদের  কথার জবাব দিচ্ছেন। জবাব দেয়া শেষ হয়ে গেলে আবার মনোযোগের সাথে কম্পিউটারের ছাত্রদের গ্রেড ইনপুট করছেন। ঠিক সময়ে ছাত্রদের গ্রেড, প্রগ্রেস রিপোর্ট শেষ করে যেতে না পারলে তাদের খুব সমস্যা হবে। একজন শিক্ষকের কি ডেডিকেশন। মৃত্যু শয্যায় শুয়েও কর্তব্যের কথা চিন্তা করছেন। ছাত্রদের একাডেমিক পড়ালেখায় যেন কোনো ছেদ না পড়ে সেই কথা ভাবছেন। ছবিটা যতবার দেখছি ততবার শ্রদ্ধায় মাথা অবনত করছি। 

বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের প্রতি শিক্ষককের  ডেডিকেশন আমি দেখেছি। না এখানে কোনো তেলের সম্পর্ক নাই। এই সম্পর্ক শুধু দায়িত্ববোধের, কর্তব্যপালনের, একজন ছাত্রের জীবন বিনির্মানের। আমাদের শ্রদ্ধাভাজন অধ্যাপকদের এই ছবিটা অন্ততঃ একবার দেখা উচিত। এতো ডেডিকেশনের দরকার নেই। শুধু দলান্ধ না হয়ে, কোনো দলের  লেজুড়বৃত্তি না করে ঠিক সময়ে ছাত্রদের ক্লাস গুলো নেয়া ,পাঠক্রম শেষ করা,  পরীক্ষার রেজাল্ট দেয়া -এটুকু করলেই হবে। 

মৃত্যুশয্যায় শুয়ে একজন অধ্যাপক যখন ছাত্রদের একাডেমিক কেরিয়ার নিয়ে চিন্তা করছেন- সেখানে  আজকের ইত্তেফাকে দেখলাম- স্যার কেন পরীক্ষা নিচ্ছেন না-পরীক্ষা না নিয়ে কেন ইচ্ছেমতো  নাম্বার বসাচ্ছেন -এটুকু  বলার অপরাধে  তেইশ জন ছাত্রকে ঢাবির এক অধ্যাপক মহোদয় ফেল করে দিয়েছেন। ডেডিকেশনের কি আকাশ পাতাল পার্থক্য।


worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates worldtechnologyupdates

3 comments:

Powered by Blogger.